1. [email protected] : admi2019 :
  2. [email protected] : Bangla News1 : Bangla News1
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:৪৪ অপরাহ্ন

ফুরোচ্ছে কাগজ ব্যবহারের দিন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫ বার পঠিত

কাগজ ব্যবহারের দিন ফুরোচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সবগুলো কোম্পানি কাগজ ব্যবহার থেকে সরে আসছে। বিদ্যুৎ বিভাগকে পেপারলেস (কাগজবিহীন) অফিসে রূপান্তর করার জন্য গত কয়েক বছর ধরেই চেষ্টা চলছে। কোনও  কোনও কোম্পানি ৫০ থেকে ৬০ ভাগ কাগজ ব্যবহার কমিয়ে এনেছে

বিদ্যুৎ বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অফিসের কাজে কাগজের ব্যবহার কমাতে সবচেয়ে সফল ঢাকার বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি ডিপিডিসি। বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে ফাইলিং করার জন্য তাদের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল ২০ ভাগ , তাদের কাজও হয়েছে ২০ ভাগই। এছাড়া নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি কোম্পানিও (নেসকো) কাছাকাছি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। তাদের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছি ৬০ ভাগ। তারা প্রায় ৫৮ ভাগ কাজ সারছে ফাইলিং এর মাধ্যমে করছে। এদিকে পিডিবির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০ ভাগ, এরমধ্যে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারা ৪৮ ভাগ ফাইলিং এর কাজ করেছে। আরইবির লক্ষ্যমাত্রা ৫০, কাজ হয়েছে ৪৮ ভাগ আর সবচেয়ে কম কাজ হয়েছে ইলেকট্রিসিটি পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশে (ইজিসিবি), তাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ ভাগ, এরমধ্যে তারা মাত্র দশমিক ভাগ কাজ করছে ফাইলিং এ। এছাড়া ডেসকোর লক্ষ্যমাত্রা ৫০ ভাগ, কাজ হয়েছে ২৫ ভাগ, ওজোপাডিকোর লক্ষ্যমাত্রা ৪০ ভাগ, কাজ হয়েছে ৪০ ভাগই, আরপিসিএলএর লক্ষ্যমাত্রা ২৫, কাজ হয়েছে ২২ ভাগ, পিজিসিবির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৫ ভাগ, কাজ হয়েছে মাত্র ভাগ, সিপিজিসিবিএলএর লক্ষ্যমাত্রা ৪০ ভাগ, কাজ হয়েছে ৩৭ ভাগ, বিআর পাওয়ার জেন কোম্পানির লক্ষ্যমাত্রা ৩০ ভাগ, কাজ হয়েছে মাত্র ভাগ, স্রেডার লক্ষ্যমাত্রা ৫০ ভাগ, কাজ হয়েছে ৪০ ভাগ আর প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দফতরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০ ভাগ , কাজ হয়েছে মাত্র ২৫ ভাগ বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানানকাগজের ব্যবহার কমে এলে ঘরে বসেই অনেক কাজ সারতে পারবে কর্মকর্তারা। কোভিডের সময় অনেক সংস্থাই এভাবে কাজ করেছে। কাগজের ফাইল যদি কমিয়ে আনা যায় তাহলে ফাইল পড়ে আছেএমন অজুহাত দেওয়া যাবে না। ফাইলিং সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে  কোথায় কোন ফাইল আছে। আমরা ১০০ ভাগ ফাইলিং করতে চাই। কোন সময়ের মধ্যে কতটুকু ফাইলিং করতে হবে বিষয়ে প্রত্যেকটি কোম্পানিকে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছি। সে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কোম্পানিগুলো কাজও করছে। কিছু কিছু কোম্পানি খুবই ভালো করছে। আর কিছু কিছু কোম্পানির গতি কম। তাদের তাগাদা দিচ্ছি লক্ষ্যমাত্রা পূরণে। কেন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি, কী কী সমস্যা আছে সেগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি জানান, প্রতিমাসেই সভা করে তাদের কাজে পর্যালোচনা করা হচ্ছে, সে অনুযায়ী সিদ্ধান্তও নেওয়া হচ্ছে

প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিভিন্ন সময়ে বলেছেন, বিদ্যুৎ বিভাগকে কাগজবিহীন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগির আমরা শতভাগ ফাইলিং যেতে চাই শুধু বিদ্যুৎ বিভাগ নয় অনেক মন্ত্রণালয় এখন ফাইলিং এর দিকে ঝুঁকছে। এতে কাজের গতি বাড়ছে বলেই জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে শুরু করে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত সব জায়গায় ফাইলিং করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একজন কর্মকর্তা একটি নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে ফাইলে ঢুকে কাজ করতে পারেন

লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শীর্ষে থাকা ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছি। ফাইলিং এর কারণে আমাদের কাগজের খরচ কমে গেছে। আগের মতো প্রিন্ট দিতে হয় না। যেখানেই থাকি সেখানে বসেই ফাইলের কাজ করতে পারি। এতে কাজের গতি বেড়ে গেছে। এছাড়া একবার ফাইলে কিছু লেখা হলে সেটা আর পরিবর্তন করা যায় না। ফলে স্বচ্ছতাও নিশ্চিত করা গেছে। তিনি বলেন, ফাইলিং এর মাধ্যমে আমরা ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাটাস দেখা, বেতন দেওয়া এইগুলো এখন অনলাইনে হচ্ছে। বিদ্যুতের বিল তো এখন প্রচুর গ্রাহক অনলাইনেই দেখেন, অনলাইনেই পরিশোধ করে দেন। এছাড়া ছুটিও আমরা ফাইলিং এর মাধ্যমে শুরু করেছি

ফাইলিং সবচেয়ে কম লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা ইজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরুণ কুমার সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি  বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..