1. [email protected] : admi2019 :
  2. [email protected] : Bangla News1 : Bangla News1
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০৩ অপরাহ্ন

কুমিল্লায় বিচারকের খাস কামরায় ঢুকে আসামিকে হত্যা: যুবকের মৃত্যুদণ্ড

রাজিব বনিক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১
  • ৮৭ বার পঠিত

কুমিল্লার আদালতে বিচারকের খাস কামরায় ঢুকে ফারুক নামের এক আসামিকে উপর্যুপুরি ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় দায়ের মামলায় মো. হাসান (২৩) নামে এক যুবককে মৃত্যদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার (৮ মার্চ) কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আতাবউল্লাহ এই রায় দেন।

আসামি মো. হাসান কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার ভোজপাড়া গ্রামের হাসান মিয়ার ছেলে।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম সেলিম ও এপিপি অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে ১৫ জুলাই আদালত চলাকালীন সময়ে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের কান্দি গ্রামের হাজী আবদুল করিম হত্যা মামলার আসামি হাসান ছুরি হাতে ওই মামলার আরেক আসামি ফারুকের পেছনে ধাওয়া করে। ফারুক আত্মরক্ষার জন্য বিচারকের খাস কামরায় গিয়ে আশ্রয় নেন। হাসান কোনও নিয়ম কানুনেন তোয়াক্কা না করে বিচারকের খাস কামরায় প্রবেশ করে সেখানেই ফারুককে উপর্যুপুরি ছুরিকাঘাত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মামলার আইনজীবী এপিপি নুরুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের কান্দি গ্রামে খুন হন হাজী আবদুল করিম। এদিন ওই মামলার জামিনে থাকা আসামিদের হাজিরার দিন ধার্য ছিল। বেলা ১১টার দিকে কুমিল্লা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের এ মামলার আসামিরা আদালতে প্রবেশের সময় ৪ নম্বর আসামি ফারুককে ছুরি নিয়ে তাড়া করে ৮ নম্বর আসামি হাসান। প্রাণভয়ে ফারুক বিচারকের খাস কামরায় ঢুকে যান। পিছু ধাওয়া করে হাসানও সেখানে ঢুকে ফারুককে টেবিলের ওপর ফেলে উপর্যুপুরি ছুরিকাঘাত করে।

তিনি জানান, এসময় আদালতে অন্য একটি মামলার হাজিরা দিতে আসা কুমিল্লার বাঙ্গরা থানা পুলিশের সাবেক এএসআই ফিরোজ এগিয়ে গিয়ে হাসানকে আটক করেন। এ ঘটনায় উপস্থিত বিচারক, আইনজীবী ও অন্য আসামিরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন। সে সময় কুমিল্লা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক ছিলেন বেগম ফাতেমা ফেরদৌস।

এদিকে, আজ রায় ঘোষণার পর আসামি মো. হাসানের মা ও স্বজনদের আহাজারিতে স্তব্ধ হয়ে পড়ে আদালত প্রাঙ্গণ। মা নয়ন বেগমের দাবি তার ছেলে মাদকাসক্ত ছিলেন। পূর্বের শত্রুতায় আদালতে ফারুককে দেখে তার ছেলের মাথা ঠিক ছিল না। তার ছেলে ন্যায্যবিচার পায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..